Mother’s Day wishes: দূরে থাকা সবচেয়ে কাছের মানুষটিকে জানিয়ে দিন মাতৃ দিবসের শুভেচ্ছা

সবার মা যে একাবারে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যাবে এমন দূরত্বে নেই। আর তা না থাকলে এ বছর ছুট্টে গিয়ে দেখেও আসতে পারবেন না। কারণ টা লকডাউন।

Mother’s Day wishes: দূরে থাকা সবচেয়ে কাছের মানুষটিকে জানিয়ে দিন মাতৃ দিবসের শুভেচ্ছা
ছবি সৌজন্যে : Google Pic

মায়েদের জন্য বরাদ্দ কেবল একটি দিন? তা কখনো হয় নাকি? তবে কিনা, উদযাপনের ছুঁতো চাই আমাদের। তাই মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার দিনটায় পালিত হয় মাতৃ দিবস। সারা বিশ্ব জুড়েই। সবার মা যে একাবারে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যাবে এমন দূরত্বে নেই। আর তা না থাকলে এ বছর ছুট্টে গিয়ে দেখেও আসতে পারবেন না। কারণ টা লকডাউন। কিন্তু তা হলেও এই দিনটা একটু অন্যরকম ভাবে কাটানো যায় তো নিশ্চয়ই। সক্কাল বেলা অন্যদিনের চেয়ে একটু আগেই না হয় ফোন করা হল। খোঁজ নেওয়া হল শরীর স্বাস্থ্যের। দিনটা জুড়েই একটু ছুঁয়ে থাকা যায় নিশ্চয়ই। আহা, ভালোবাসা এখন ভার্চুয়াল। তাহলে দূরে থেকে কাছে রচিলে। প্রিয়তম মানুষটাকে জানিয়ে দিন আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবসের শুভেচ্ছা।

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দিনে মাতৃ দিবস পালিত হয়। ব্রিটিশ প্রথা অনুযায়ী, ভারতে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার পালন করা হয় এইদিন। মাতৃদিবস নিয়ে আপনার মনে যাই সংজ্ঞা থাকুক না কেন, ফোনের ডেটা ব্যবহার করে বিনা মূল্যে মায়ের কাছে পাঠাতেই পারেন কিছু সুন্দর ডিজিটাল কার্ড, যেখানে লেখা রয়েছে আপনার মনের কথা। আর আপনি যদি মনে করেন গোটা বছরকে সম্মান জানাতে একটা দিন মায়ের মন খুশি করতে চান তাহলে তো কথাই নেই। আপনার জন্য রইল কিছু মনের মত অদ্বিতীয় কার্ড।

ছবি সৌজন্যে : Google Pic

 

মাকে আমার পড়ে না মনে।
শুধু কখন খেলতে গিয়ে হঠাৎ অকারণে
একটা কি সুর গুনগুনিয়ে কানে আমার বাজে,
মায়ের কথা মিলায় যেন আমার খেলার মাঝে।
মা বুঝি গান গাইত আমার দোলনা ঠেলে ঠেলে –
মা গিয়েছে, যেতে যেতে গানটি গেছে ফেলে।

(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

আমি ভীষণ ভালবাসতাম আমার মা-কে
-কখনও মুখ ফুটে বলি নি।
টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে
কখনও কখনও কিনে আনতাম কমলালেবু
-শুয়ে শুয়ে মা-র চোখ জলে ভ’রে উঠত
আমার ভালাবাসার কথা
মা-কে কখনও আমি মুখ ফুটে বলতে পারি নি।

সুভাষ মুখোপাধ্যায়

মা বলতেন, কেন বাড়ি থাকিস না।
আমি জানি। ঝাঁ ঝাঁ দুপুর।
মেঝেতে শুয়ে থাকতাম দুজনে। পাশেই
যে নদীটা বয়ে যেত
তার সঙ্গে আমার সম্পর্কটা ঝিমিয়ে এসেছিল।
সম্ভবত নীল রঙের একটা গান
ঘরছাড়া করত আমাকে, পথখরচ
থাকত সামান্যই, আমি।
এ তল্লাট থেকে সে তল্লাটে ভেসে বেড়াতাম।।
আধ কাপ কফির একটা দুপুর ।
বিকেলবেলার দুয়েক টুকরাে ভাঙা স্বর।
আজকাল ভাবি, হাওয়া
কোথা থেকে এসে কোথায় যায়! চওড়া লালপেড়ে
শাড়িটা পরে কে জানে কোথায় এখন
বিড়বিড় করছে মা।
থমথমে একটা তুফান আবার জট পাকাচ্ছে মাথায়
সব কথা কি লেখা যাবে কোনােদিন?

ভাস্কর চক্রবর্তী